মূল অংশে যান
Eaipe
কীভাবে কাজ করে নমুনা ফিচার ক্রেডিট প্রশ্ন
ডাউনলোড
প্রাইভেসি

প্রাইভেসি পলিসি

Eaipe অ্যাপ কোন তথ্য নেয়, কেন নেয়, কতদিন রাখে আর কার সাথে ভাগ করে — সবটা এখানে লেখা আছে। আইনি ভাষার চেয়ে বোঝা যায় এমন ভাষাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে; কোনো লাইন বুঝতে উকিল লাগলে দোষটা আমাদের।

সর্বশেষ হালনাগাদ · ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রযোজ্য Eaipe অ্যাপ (com.eaipe.app) ও এই ওয়েবসাইটে Sigmative LLC-এর একটি প্রোডাক্ট

এক নজরে

  • আপনার ছবি আপনারই। বিজ্ঞাপনে বা AI মডেল ট্রেনিংয়ে সেগুলো কখনো ব্যবহার করা হয় না।
  • অ্যাকাউন্ট খুলতে নাম, ফোন নম্বর আর একটা পাসওয়ার্ড লাগে। ঠিকানা, জন্মতারিখ, পেশা — এসব ঐচ্ছিক।
  • কার্ডের নম্বর বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিন আমাদের সার্ভারে আসেই না — পেমেন্ট গেটওয়ে সেগুলো নিজের কাছে রাখে।
  • তৈরি করা যেকোনো ছবি অ্যাপ থেকেই মুছে ফেলা যায়, আর অনুরোধ করলে পুরো অ্যাকাউন্টও।
  • আমরা কারও তথ্য বিক্রি করি না, বিজ্ঞাপনদাতার হাতেও তুলে দিই না।

সূচি

  1. আমরা কারা
  2. কী কী তথ্য নেওয়া হয়
  3. আপনার ছবির কী হয়
  4. এই তথ্য কেন লাগে
  5. অ্যাপ কোন অনুমতি চায়
  6. কার কাছে তথ্য যায়
  7. পেমেন্ট
  8. কতদিন রাখা হয়
  9. আপনার নিয়ন্ত্রণে যা আছে
  10. নিরাপত্তা
  11. শিশুদের ব্যবহার
  12. তথ্য কোথায় থাকে
  13. নীতি বদলালে
  14. যোগাযোগ

আমরা কারা

Eaipe একটি AI ফটো অ্যাপ — টেমপ্লেট বেছে একটা ছবি দিলে বাকিটা অ্যাপ করে দেয়। Google Play-তে এর প্যাকেজ নাম com.eaipe.app। অ্যাপটি তৈরি করে ও চালায় বাংলাদেশের বগুড়ায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠান Sigmative LLC।

এই নীতিতে “আমরা” বলতে Sigmative LLC, আর “আপনি” বলতে অ্যাপ বা এই ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারী। আপনার তথ্য কীভাবে ও কেন ব্যবহার হবে সেই সিদ্ধান্ত আমরা নিই — আইনের ভাষায় তাই Sigmative LLC-ই এই তথ্যের নিয়ন্ত্রক, এবং জবাবদিহিটাও আমাদের।

নীতিটি প্রযোজ্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, ভবিষ্যতের iOS অ্যাপ আর এই ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে, আর এটি ব্যবহারের শর্তাবলি ও রিফান্ড পলিসির পাশাপাশি চলে। অ্যাপ আপনাকে অন্য কোথাও পাঠালে — যেমন পেমেন্ট গেটওয়ের পাতায় — সেখানে তাদের নিজস্ব নীতি চলে, এটি নয়।

কী কী তথ্য নেওয়া হয়

যেটুকু ছাড়া অ্যাপ চলে না, শুধু সেটুকুই। নিচের তালিকাটাই পুরো তালিকা।

  • অ্যাকাউন্ট নাম, ফোন নম্বর ও দেশ, আর একটি পাসওয়ার্ড। বাংলাদেশের বাইরে থেকে রেজিস্ট্রেশন করলে ইমেইল ঠিকানাও লাগে, কারণ যাচাইয়ের কোডটি তখন ইমেইলেই যায়।
  • প্রোফাইলের বাড়তি তথ্য — সবটাই ঐচ্ছিক প্রোফাইল ছবি, ঠিকানা, জেলা, থানা, পোস্টকোড, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, পেশা আর নিজের সম্পর্কে দু-এক লাইন। একটিও বাধ্যতামূলক নয় — পূরণ করলে শুধু বোনাস ক্রেডিট যোগ হয়।
  • ছবি, আর তা থেকে যা তৈরি হয় টেমপ্লেটকে আপনি যে ছবিটি দেন, তার থেকে যে ছবি ফিরে আসে, তার নাম, আর কোন টেমপ্লেট দিয়ে হয়েছে সেই হিসাব। পছন্দের টেমপ্লেটের তালিকাও এখানে।
  • লেনদেনের হিসাব ইনভয়েস নম্বর, প্যাকেজ, টাকার অঙ্ক, তারিখ, কোন গেটওয়ে নিয়েছে আর তার ট্রানজেকশন আইডি। কার্ড নম্বর, CVV বা bKash/Nagad-এর পিন আমাদের সার্ভারে কখনোই আসে না।
  • অ্যাপ ও ডিভাইসের তথ্য অ্যাপের ভার্সন, ডিভাইসের মডেল ও অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন, আপনার বেছে নেওয়া ভাষা ও থিম, IP ঠিকানা এবং সাধারণ সার্ভার লগ — কোন অনুরোধ কখন এসেছে, সফল হয়েছে কি না।

যা আমরা নিই না

  • কনট্যাক্ট লিস্ট, কল বা এসএমএস — অ্যাপ এসবের অনুমতিই চায় না।
  • GPS বা নিখুঁত অবস্থান। প্রোফাইলে ঠিকানা লিখলে ওই লেখাটুকুই থাকে, ফোন থেকে অবস্থান নেওয়া হয় না।
  • গ্যালারির বাকি ছবি। আপনি যেটি বেছে দেন, অ্যাপ কেবল সেটিই পড়ে।
  • বিজ্ঞাপনের আইডি বা ট্র্যাকিং। অ্যাপে কোনো বিজ্ঞাপন নেই, তৃতীয় পক্ষের অ্যানালিটিক্স লাইব্রেরিও বসানো নেই।

এই ওয়েবসাইটেও একই কথা: কোনো কুকি নেই, অ্যানালিটিক্স নেই, লগইন নেই। ভাষার পছন্দটা আপনার ব্রাউজারেই জমা থাকে, আমাদের কাছে আসে না। বাইরের একটিমাত্র অনুরোধ যায় Google Fonts-এ, দুটি ফন্টের জন্য — তাতে আপনার IP ঠিকানা গুগল দেখতে পায়।

আপনার ছবির কী হয়

এই অংশটা আলাদা করে লেখা, কারণ নিজের মুখের ছবিই সবচেয়ে ব্যক্তিগত জিনিস যা কখনো এই অ্যাপের হাতে যায়।

  • গ্যালারি বা ক্যামেরা থেকে আপনি যে একটিমাত্র ছবি বেছে দেন, সেটি এনক্রিপ্ট করা সংযোগে আমাদের সার্ভারে যায়। অ্যাপ নিজে থেকে গ্যালারি ঘেঁটে দেখে না।
  • সেখানে টেমপ্লেটের নিজস্ব নির্দেশ অনুযায়ী ছবিটি তৈরি হয়, আর ফলাফল আপনার ক্রিয়েশন তালিকায় জমা থাকে — যাতে পরে আবার খুলতে বা নামাতে পারেন।
  • জেনারেট শেষ হওয়ামাত্র একটি কপি আপনার ফোনের গ্যালারিতেও সেভ হয়। সেই কপিটা পুরোপুরি আপনার — আমাদের হাত সেখানে পৌঁছায় না, অ্যাকাউন্ট মুছে ফেললেও সেটি থেকে যায়।
  • আপনার ছবি বা ফলাফল কোনো AI মডেল ট্রেনিংয়ে ব্যবহার করা হয় না, বিজ্ঞাপনে দেখানো হয় না, আমাদের ওয়েবসাইটে বা কোনো প্রচারেও বসানো হয় না।
  • অন্য কোনো ব্যবহারকারী আপনার ক্রিয়েশন দেখতে পান না। আপনি নিজে শেয়ার করলে সেটি আপনারই সিদ্ধান্ত — অ্যাপ শুধু ফোনের শেয়ার শিটটা খুলে দেয়।

ছবি তৈরির কাজটি হয় আমাদের সার্ভারে এবং আমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ একটি AI মডেল সরবরাহকারীর অবকাঠামোয়। চুক্তি অনুযায়ী তারা ছবিটি কেবল আপনার অনুরোধটুকু সম্পন্ন করতেই ব্যবহার করতে পারে — নিজেদের মডেল ট্রেনিংয়ে নয়। কোন জিনিস কতদিন থাকে তা লেখা আছে কতদিন রাখা হয় অংশে।

এই তথ্য কেন লাগে

দুই নম্বর অংশের প্রতিটি তথ্য নিচের ছয়টি কাজের কোনো একটির জন্য। আগে তথ্য জমিয়ে পরে তার ব্যবহার খোঁজা — এমনটা এখানে হয় না।

  • অ্যাকাউন্ট চালাতে সাইন ইন করানো, ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড রিসেট করা, আর নম্বরটি সত্যিই আপনার কি না যাচাই করা।
  • ছবি তৈরি করতে টেমপ্লেট দেখানো, ছবি তৈরি করা, আর ফলাফল এমন জায়গায় রাখা যেখানে আপনি খুঁজে পাবেন।
  • ক্রেডিট ও পেমেন্টের হিসাব রাখতে আপনার ব্যালান্স, ইনভয়েস, আর রিচার্জের ক্রেডিট না এলে সেটি খুঁজে বের করা।
  • সহায়তা দিতে আপনি সমস্যার কথা জানালে সেটি খুঁজে পেতে সাধারণত আপনার অ্যাকাউন্ট আর সাম্প্রতিক লেনদেন দেখতে হয়।
  • অ্যাপ ঠিক রাখতে, অপব্যবহার ঠেকাতে ক্র্যাশ ও ত্রুটির লগ দেখে সমস্যা সারানো, আর ফ্রি ক্রেডিট নিয়ে জালিয়াতি বা অপব্যবহার ধরা।
  • আইনি বাধ্যবাধকতায় হিসাব ও করসংক্রান্ত নথি নির্দিষ্ট সময় রাখতেই হয় — অ্যাকাউন্ট চালু থাকুক বা না থাকুক।

আইনের ভাষায় এর প্রতিটির পেছনে চারটি ভিত্তির কোনো একটি আছে: আমাদের মধ্যকার চুক্তি (অ্যাকাউন্ট চালানো আর ছবি তৈরি), আপনার সম্মতি (প্রোফাইলের ঐচ্ছিক তথ্য আর ফোনের অনুমতিগুলো), অ্যাপ নিরাপদ ও সচল রাখায় আমাদের বৈধ স্বার্থ, আর আইনি বাধ্যবাধকতা (হিসাব ও করের নথি)।

বিজ্ঞাপন দেখানো, প্রোফাইলিং বা তথ্য বিক্রি — এর একটিও ওই তালিকায় নেই। কখনো যদি বদলায়, আপনাকে আগেই জানানো হবে, পরে নয়।

অ্যাপ কোন অনুমতি চায়

চারটি — আর প্রতিটি চাওয়া হয় ঠিক যখন দরকার, প্রথমবার অ্যাপ খোলার সময় একসাথে সব নয়।

  • ছবি ও মিডিয়া টেমপ্লেটে দেওয়ার জন্য একটি ছবি বাছতে। অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সংস্করণে চাইলে পুরো গ্যালারির বদলে শুধু বেছে নেওয়া ছবিটুকুর অনুমতিও দিতে পারেন।
  • ক্যামেরা শুধু তখনই, যখন গ্যালারি থেকে বাছার বদলে আপনি সেখানেই ছবি তুলতে চান।
  • গ্যালারিতে সেভ করা তৈরি হওয়া ছবিটি ফোনে রাখতে — যাতে অ্যাপ ছাড়াও সেটি আপনার থাকে।
  • ইন্টারনেট টেমপ্লেট আনতে আর ছবি তৈরি করতে। অ্যাপ অফলাইনে ছবি বানাতে পারে না — কাজটা সার্ভারে হয়।

অনুমতি না দিলেও অ্যাপ চলে — শুধু ওই কাজটুকু আটকে যায়। ফোনের সেটিংস থেকে যেকোনো সময় অনুমতি ফিরিয়ে নেওয়া যায়, আর সত্যিই দরকার হলে অ্যাপ পরেরবার আবার চেয়ে নেবে।

কার কাছে তথ্য যায়

আমরা তথ্য বিক্রি করি না। নিচের হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া আর কারও কাছে আপনার তথ্য যায় না, আর তারাও নিজের কাজটুকুর জন্য যতটা লাগে ঠিক ততটাই পায়।

  • AI মডেল সরবরাহকারী আপনার ছবি আর টেমপ্লেটের নির্দেশ, শুধু ছবিটি তৈরির জন্য — এর বাইরে কিছুতে নয়।
  • পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে SSLCommerz ও Moneybag — অর্থাৎ bKash, Nagad, Rocket ও কার্ড — আর বাংলাদেশের বাইরে FastSpring। তারা পায় ইনভয়েস, টাকার অঙ্ক আর যোগাযোগের তথ্য; কার্ডের তথ্য সরাসরি তাদের কাছেই যায়, আমাদের হয়ে নয়।
  • এসএমএস ও ইমেইল সেবা আপনার ফোন নম্বর বা ইমেইল ঠিকানা, যাতে যাচাইয়ের কোডটি আপনার কাছে পৌঁছাতে পারে।
  • হোস্টিং ও ফাইল স্টোরেজ যাদের সার্ভার ও স্টোরেজে অ্যাপটি চলে। তারা তথ্য রাখে মাত্র, ব্যবহার করে না।
  • আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কেবল বৈধ ও লিখিত অনুরোধ এলে, আর আইন যতটুকু দিতে বাধ্য করে ঠিক ততটুকুই।

ব্যবসা কখনো হাতবদল বা একীভূত হলে তথ্য নতুন মালিকের কাছে যেতে পারে। তেমন হলে অ্যাপে ও এই পাতায় আগেই জানানো হবে, আর এই নীতির শর্ত তখনও বহাল থাকবে।

পেমেন্ট

ক্রেডিট কেনা ঐচ্ছিক। অ্যাপ ইনস্টল করা আর শুরুর ফ্রি ক্রেডিট খরচ করায় কোনো টাকা লাগে না, কার্ড জমা রাখারও দরকার নেই।

পেমেন্টের পাতাটি গেটওয়ের নিজস্ব, অ্যাপের ভেতরে একটি সুরক্ষিত উইন্ডোতে খোলে। কার্ড নম্বর, CVV বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিন ওই পাতাতেই থাকে — অ্যাপ সেগুলো পড়ে না, রাখে না, দেখেও না। শেষে গেটওয়ে আমাদের শুধু জানায় লেনদেনটি সফল হয়েছে কি না আর তার আইডি কত।

বাংলাদেশের বাইরে থেকে কেনা হয় FastSpring-এর মাধ্যমে, ডলারে। ওই লেনদেনে বিক্রেতা FastSpring নিজেই, তাই তাদের নিজস্ব প্রাইভেসি নীতিও এর পাশাপাশি প্রযোজ্য হয়।

ইনভয়েস আর লেনদেনের নথি হিসাবরক্ষণ ও করের কারণে রাখতে হয়, তাই অ্যাকাউন্ট মুছে ফেললেও আইনে বেঁধে দেওয়া সময় পর্যন্ত সেগুলো থেকে যায়।

কখন ও কীভাবে টাকা ফেরত দেওয়া হয়, তা লেখা আছে রিফান্ড পলিসিতে।

কতদিন রাখা হয়

যে কাজের জন্য তথ্য নেওয়া হয়েছে, তার চেয়ে বেশি সময় কিছু রাখা হয় না — শুধু আইন নিজে সময় বেঁধে দিলে সেটি আলাদা।

  • অ্যাকাউন্টের তথ্য যতদিন অ্যাকাউন্ট আছে ততদিন। মুছে ফেলতে বললে ৩০ দিনের মধ্যে সরিয়ে দেওয়া হয়।
  • ছবি ও ক্রিয়েশন যতক্ষণ না আপনি মুছছেন। মুছে দিলে অ্যাপ থেকে সাথে সাথেই চলে যায়, আর যে ব্যাকআপে ছিল সেটিও ৯০ দিনের মধ্যে বদলে যায়।
  • লেনদেনের নথি হিসাব ও কর আইনে যতদিন রাখা বাধ্যতামূলক, সাধারণত পাঁচ বছর — অ্যাকাউন্ট না থাকলেও।
  • সার্ভার লগ সাধারণত ৯০ দিন, তারপর মুছে যায়। নিরাপত্তার কোনো তদন্ত চললে সংশ্লিষ্ট লগ ততক্ষণ আলাদা রাখা হয়।

আপনার নিয়ন্ত্রণে যা আছে

বেশিরভাগটাই অ্যাপের ভেতরেই এক ট্যাপ দূরে, বাকিটার জন্য আমাদের একটা বার্তা পাঠালেই হয়।

  • তথ্য দেখা ও বদলানো প্রোফাইল, তারপর প্রোফাইল সম্পাদনা — নাম, ঠিকানা ও বাকি সব তথ্য যখন খুশি সেখানেই বদলানো যায়।
  • ছবি মুছে ফেলা ক্রিয়েশন তালিকার প্রতিটি ছবির পাশে মুছে ফেলার অপশন আছে। ফোনের গ্যালারিতে চলে যাওয়া কপিটি থেকে যায় — কারণ সেটি আপনার।
  • পুরো অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা hello@sigmative.com-এ লিখুন, বা রেজিস্টার করা নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে জানান — অ্যাকাউন্ট আর তার সব ছবি ৩০ দিনের মধ্যে মুছে দেওয়া হবে। খরচ না-করা ক্রেডিট তখন বাতিল হয়ে যায়, তাই আগে সেগুলো ব্যবহার করে নিন — বা গত ৬০ দিনের মধ্যে কেনা হলে অ্যাকাউন্ট মোছার আগে রিফান্ড চেয়ে নিন।
  • তথ্যের কপি চাওয়া আপনার অ্যাকাউন্টে কী কী আছে জানতে চাইলে ৩০ দিনের মধ্যে তার একটি কপি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
  • অনুমতি ফিরিয়ে নেওয়া ছবি, ক্যামেরা বা স্টোরেজের অনুমতি ফোনের সেটিংস থেকে যেকোনো সময় বন্ধ করা যায় — কিছু আনইনস্টল না করেই।

এর কোনোটির জন্য টাকা লাগে না, আর অনুরোধ করার কারণে অ্যাপে আপনার কিছু কমেও না।

নিরাপত্তা

  • অ্যাপ আর আমাদের সার্ভারের মধ্যে সব যোগাযোগ HTTPS-এ, পুরো পথটাই এনক্রিপ্ট করা।
  • পাসওয়ার্ড এক-মুখী হ্যাশ করে রাখা হয়। আমাদের কেউ আপনার পাসওয়ার্ড পড়তে পারে না — এ কারণেই ভুলে গেলে সেটি রিসেট করা যায়, খুঁজে বের করা যায় না।
  • জমা থাকা তথ্যে কেবল সেই কর্মীদের প্রবেশাধিকার, যাদের কাজের জন্য সত্যিই দরকার।
  • ফোনে সাইন-ইনের টোকেন অ্যান্ড্রয়েডের নিজস্ব সুরক্ষিত স্টোরেজে থাকে, সাধারণ কোনো ফাইলে নয়।

তবু কোনো ব্যবস্থাই শতভাগ নিরাপদ নয় — উল্টোটা বলা অসততা হবে। অ্যাকাউন্টে কিছু গোলমাল মনে হলে সাথে সাথে পাসওয়ার্ড বদলে আমাদের জানান।

শিশুদের ব্যবহার

Eaipe ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য নয়, আর আমরা জেনেশুনে তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য নিই না। কোনো শিশুর তথ্য ভুল করে আমাদের কাছে এসেছে বুঝতে পারলে সেটি মুছে দেওয়া হয়।

অভিভাবক হিসেবে আপনার সন্তানের কোনো তথ্য এখানে আছে মনে হলে আমাদের জানান — যাচাই করে সরিয়ে দেওয়া হবে।

তথ্য কোথায় থাকে

সার্ভার ও ফাইল স্টোরেজ বাংলাদেশের বাইরে থাকতে পারে, আর ছবি তৈরির অনুরোধ প্রক্রিয়া হয় AI সরবরাহকারীর অবকাঠামোয় — সেটিও অন্য কোনো দেশে হতে পারে।

যেখানেই থাকুক, এই নীতির শর্ত একই থাকে — আর সেই সুরক্ষা তাদের সদিচ্ছার ওপর ছেড়ে না দিয়ে চুক্তিতেই লিখে নেওয়া হয়।

নীতি বদলালে

অ্যাপে নতুন কিছু যোগ হলে এই পাতাও বদলায়, আর উপরের তারিখটি সরে আসে।

কিন্তু কী তথ্য নেওয়া হচ্ছে বা কেন — তাতে বড় কোনো পরিবর্তন হলে শুধু তারিখ বদলে দেওয়া যথেষ্ট নয়। তখন অ্যাপের ভেতরে নোটিশ দিয়ে জানানো হবে, আর দরকার হলে নতুন করে আপনার সম্মতি চাওয়া হবে।

যোগাযোগ

প্রাইভেসি নিয়ে যেকোনো প্রশ্ন, অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার অনুরোধ বা অভিযোগ — নিচের যেকোনো ঠিকানায় Sigmative LLC-কে জানান। সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যেই উত্তর দেওয়া হয়।

Sigmative LLC ১৯৯৫/২, লতিফপুর মধ্যপাড়া, বগুড়া ৫৮০০, বাংলাদেশ
হোয়াটসঅ্যাপ ৯টা – ৯টা +880 1700-559595 কল hello@sigmative.com ইমেইল

এই নীতির কোনো কিছু ঠিক মনে না হলে আগে আমাদের জানালে ঠিক করার সুযোগ থাকে। তাতে কাজ না হলে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করার অধিকার আপনার আছে।

Eaipe

ছবি এডিট এখন সহজ। টেমপ্লেট বেছে একটা ছবি দিন — বাকিটা অ্যাপ করে দেবে।

Sigmative-এর একটি অ্যাপ

প্রোডাক্ট

কীভাবে কাজ করে নমুনা ফিচার ক্রেডিট

যোগাযোগ

হোয়াটসঅ্যাপ · ৯টা – ৯টা +880 1700-559595 hello@sigmative.com
© ২০২৬ Sigmative LLC — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ব্যবহারের শর্তাবলি প্রাইভেসি পলিসি রিফান্ড পলিসি
বাংলাদেশে তৈরি