টেমপ্লেট থেকে AI ফটো এডিট

একটা ছবি দিন — বাকিটা AI করে দেবে

২০০০+ রেডিমেড টেমপ্লেট থেকে স্টাইল বেছে নিন, নিজের একটা ছবি দিন। প্রম্পট লিখতে হবে না — প্রায় ২০ সেকেন্ডেই HD ছবি হাতে।

  • শুরুতেই ১০ ক্রেডিট ফ্রি
  • কার্ড লাগবে না
  • অ্যান্ড্রয়েড, iOS আসছে
  • ১ · স্টাইল বাছুন
  • ২ · ছবি দিন
  • ৩ · HD ছবি
  • ২০০০+রেডিমেড টেমপ্লেট
  • ~২০ সেকেন্ডপ্রতি ছবিতে
  • ১০ফ্রি ক্রেডিট দিয়ে শুরু
  • ১ ট্যাপএডিট শেষ
কীভাবে কাজ করে

শুরু থেকে শেষ — তিনটি ধাপ

লেয়ার নেই, প্রম্পট নেই, এডিটিং শেখারও দরকার নেই। ডিজাইন আর প্রম্পট — দুটোই টেমপ্লেটের ভেতরেই লেখা আছে।

  1. স্টাইল বাছুন

    পোর্ট্রেট, দম্পতি, জন্মদিন, বেবি ফটো, প্রোডাক্ট ব্র্যান্ডিং — সার্চ করে বা ক্যাটাগরি ধরে খুঁজে নিন।

  2. একটি ছবি দিন

    গ্যালারি থেকে নিন বা ক্যামেরায় তুলুন। দরকার হলে ক্রপ-জুম করে মুখটা ফ্রেমের ভেতরে বসিয়ে নিন।

  3. জেনারেট করুন

    বাকিটা AI-এর কাজ। HD ছবি সরাসরি ফোনের গ্যালারিতে সেভ করুন, বা যেমন আছে তেমনই শেয়ার করে দিন।

প্রথম ১০ ক্রেডিট ফ্রি — কয়েকটা স্টাইল পরখ করে দেখার জন্য যথেষ্ট।

প্লে স্টোর থেকে নিন
ফিচার

কঠিন কাজটুকু অ্যাপই করে দেয়

পুরো অ্যাপটা একটাই কাজের জন্য — এক ট্যাপে একটা ভালো ছবি। নিচের সবগুলো ফিচার সেই কাজটাকেই সহজ রাখে।

প্রম্পট লিখতে হবে না

প্রতিটি টেমপ্লেটেই ডিজাইন আর প্রম্পট আগে থেকে বসানো। আপনি শুধু লুকটা বাছবেন।

ক্রপ ও জুম

টেমপ্লেট যেখানে মুখ চায় ঠিক সেখানেই বসান — টেনে, জুম করে, রেশিও বেছে।

খরচের আগেই সতর্ক

ছবির রেজোলিউশন কম হলে ক্রেডিট কাটার আগেই জানিয়ে দেয় — চাইলে তবুও চালানো যায়।

আগে-পরে স্লাইডার

রেজাল্টের উপর আঙুল টেনে দেখুন কোথায় কতটুকু বদলেছে।

সেভ ও শেয়ার

জেনারেট শেষ হওয়ামাত্র ফোনের গ্যালারিতে কপি চলে যায়। ওই স্ক্রিন থেকেই শেয়ার।

ক্রিয়েশন ও ফেভারিট

তৈরি করা সব ছবি এক ট্যাবে, পছন্দের টেমপ্লেটগুলো আরেক ট্যাবে জমা থাকে।

বাংলা ও ইংরেজি

পুরো অ্যাপ দুই ভাষাতেই। সাথে ডার্ক-লাইট থিম আর লেখার আকার বদলানোর সুযোগ।

ক্রেডিটের মেয়াদ নেই

একবার কিনে যখন খুশি ব্যবহার করুন — তারিখ দেখে কিছু নষ্ট হয় না।

ক্রেডিট

মাস নয় — যতটা ছবি, ততটা খরচ

কোনো সাবস্ক্রিপশন নেই। একটি টেমপ্লেট ছবিতে নির্দিষ্ট ক্রেডিট খরচ হয়, আর সেই দাম জেনারেট বোতামেই লেখা থাকে — চাপার আগেই দেখে নিতে পারবেন।

  • শুরুতেই ১০ ক্রেডিট ফ্রি — রেজিস্ট্রেশনে ৫, প্রোফাইল পূর্ণ করলে আরও ৫।
  • বড় প্যাকেজ নিলে প্রতি ক্রেডিটের দাম কমে আসে।
  • ক্রেডিটের মেয়াদ নেই — এক মাস ব্যবহার না করলেও কিছু নষ্ট হয় না।
  • পেমেন্টে কার্ড আর মোবাইল ব্যাংকিং দুটোই চলে।

বাংলাদেশের বাইরে থেকে কিনলে পেমেন্ট হয় FastSpring-এ, ডলারে — প্রযোজ্য ট্যাক্স চেকআউটেই যোগ হয়।

এখনকার ব্যালান্স ১০ ফ্রি ক্রেডিট · মেয়াদ নেই
ছোট প্যাক কয়েকটা স্টাইল দেখে নিন
সেরা দাম মাঝারি প্যাক প্রতি ক্রেডিট আরও কমে
বড় প্যাক প্রতি ক্রেডিটে সবচেয়ে কম দাম

প্যাকেজ ও দাম অ্যাপের ভেতরেই দেখা যায় — অফার বদলালে সেখানেই আপডেট হয়।

সাধারণ প্রশ্ন

যে প্রশ্নগুলো সবাই করে

ক্রেডিট কীভাবে কাজ করে?

প্রতিটি টেমপ্লেট ছবি তৈরিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্রেডিট কাটা হয় — টেমপ্লেটের পাতায় জেনারেট বোতামেই দাম লেখা থাকে। ক্রেডিটের কোনো মেয়াদ নেই।

এডিট করা ছবি কোথায় থাকে?

তৈরি হওয়া প্রতিটি ছবি ক্রিয়েশন ট্যাবে জমা থাকে, আর জেনারেট শেষে ফোনের গ্যালারিতেও একটি কপি চলে যায়।

প্রম্পট লিখতে হয় কি?

না। প্রম্পট আর ডিজাইন দুটোই টেমপ্লেটের ভেতরে সেট করা — আপনি শুধু স্টাইল বেছে একটা ছবি দেবেন। কিছু টেমপ্লেটে ছবিও লাগে না, শুধু কয়েকটি তথ্য দিলেই হয়।

ছবি ছোট বলে সতর্ক করছে কেন?

রেজোলিউশন কম হলে ফল ভালো হয় না, তাই ক্রেডিট খরচের আগেই জানিয়ে দেওয়া হয় — চাইলে তবুও চালানো যায়।

রিচার্জ করার পর ক্রেডিট আসছে না

পেমেন্ট সফল হলে ক্রেডিট সাধারণত সাথে সাথেই যোগ হয়। না এলে “বিলিং ও ইনভয়েস” পাতায় ওই লেনদেনের পাশে “আবার দেখুন” চাপুন। তাতেও না হলে ইনভয়েস নম্বরসহ আমাদের জানান।

কোন ফোনে চলবে?

এখন অ্যান্ড্রয়েডে, iOS আসছে। জেনারেট করতে ইন্টারনেট লাগে, আর তৈরি ছবি আপনার নিজের গ্যালারিতেই সেভ হয়।

প্রথম ছবিটা আমাদের তরফ থেকে

Eaipe ইনস্টল করুন, ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন — ১০ ক্রেডিট আগে থেকেই জমা থাকবে।

পাওয়া যাচ্ছে Google Play শীঘ্রই আসছে App Store

ইনস্টল ফ্রি। ক্রেডিট কেনা ঐচ্ছিক, আর তার কোনো মেয়াদ নেই।

Eaipe — ১০ ক্রেডিট ফ্রি ফ্রি ইনস্টল · অ্যান্ড্রয়েড ইনস্টল